ডেঙ্গু সংক্রমণে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে রাজ্যে – ঠিকই তবে এর জন্য কলকাতা পুরসভার ব্যর্থতার বিষয়টি মেনে নিতে নারাজ মেয়র ফিরহাদ হাকিম। আজ কলকাতায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বন্ধ কারখানা ও ফাঁকা পরিত্যক্ত জমি গুলিতে ডেঙ্গু মশার লার্ভা মিলছে।
কলকাতা পুরসভার একটি ওয়ার্ড এ তিনি নিজে গিয়ে দেখেছেন মাটির ভার ও পরিত্যক্ত কন্টেইনার এ জল জমে রয়েছে। তাই নাগরিকরা সচেতন না হলে ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু পুরসভার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তবে তার মতে বেশিরভাগ নাগরিক সচেতন। কিন্তু কিছু মানুষের জন্য ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে। এই ব্যাপারে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে বলেও জানান তিনি।
রাজ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণ সংকটজনক। সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা ৪ বলা হলেও বেসরকারি সূত্রে তা ৪০-এর কাছাকাছি। আক্রান্ত হাজার হাজার। রাজ্যের মুখ্যসচিব ইতিমধ্যেই বৈঠক করে আপৎকালীন ভিত্তিতে ডেঙ্গু মোকাবিলার নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে বলা হচ্ছে এবার শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেশি। এর কারণ গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনধারণ বদলাচ্ছে। কিন্তু তাদের ব্যবহৃত সামগ্রীর বর্জ্য নিষ্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে।
এছাড়াও মশার সেরোটাইপ বদলে যাচ্ছে। ফলে যাদের একবার সংক্রমণ হয়েছিল পুনরায় তারা আবার সংক্রমিত হচ্ছেন। এছাড়াও ডেঙ্গুর চরিত্র যাচ্ছে বদলে। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, লিভার থেকে হার্ট এমনকি কিডনি পর্যন্ত আক্রান্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্ব উষ্ণায়ন বৃদ্ধি পাওয়ায় অনিয়মিত এবং অসময়োচিত বর্ষা দেখা যাচ্ছে। এটা মশার বংশবিস্তারের পক্ষে উপযোগী হয়ে উঠেছে। মশার আয়ুষ্কাল বাড়ছে, প্রজনন ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মশারা ডিমও পাড়ছে বেশি। তার থেকেও বড় কথা মশার মধ্যে আগে ডেঙ্গু ভাইরাস পূর্ণতা পেতে যে সময় লাগতো, এখন তা অনেক কম সময়ে সম্ভব হচ্ছে । ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ সিদ্ধার্থ নিয়োগী জানান, ডেঙ্গুর পরীক্ষা এখন অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ বেশি করে ধরা পড়ছে।
রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা গোপন করছে বলে অভিযোগ করল বিজেপি। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বিধাননগরে এক সাংবাদিক বৈঠকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার আন্তরিক নয় বলে মন্তব্য করেন।
আরও পাড়ুনঃ
- কেন্দ্রের পর্যটন মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ভারতের সেরা পর্যটন গ্রামের স্বীকৃতি কিরীট্বশ্বরী মন্দির
- তারাপীঠ সাধনক্ষেত্র ভ্রমণ
- ৯৭ বছর ধরে নির্ভুল সময় দিয়ে চলেছে হাওড়া রেল স্টেশনের বড় ঘড়ি
- কালিয়াগঞ্জ দুর্গাপুর রাজবাড়ী রোডে কুনোরের হাটপাড়া টেরাকোটা গ্রাম
- পিএস ভোপাল যেটির পরিবর্তিত নাম বেঙ্গল প্যাডেল, এখন পর্যটনক্ষেত্র
- উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় কেশর চাষে সফলতা পেলেন বিজ্ঞানীরা
- বক্সার বাঘবনে শীঘ্র ছাড়া হবে বাঘ
- A and An এর ব্যবহার । Article
- Number: – Types, Rules & Exa বাংলায় বচন কি, কত প্রকার?
