লোক সংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি কেন্দ্র, তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে কলকাতা প্রেস ক্লাবে গ্রাম ও কৃষ্টি উৎসব শুরু হল

লোক সংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি কেন্দ্র, তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে কলকাতা প্রেস ক্লাবে গ্রাম ও কৃষ্টি উৎসব শুরু হল

কলকাতা রাজ্যের খবর

লোক সংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি কেন্দ্র, তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে কলকাতা প্রেস ক্লাবে গ্রাম ও কৃষ্টি উৎসব শুরু হল – চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গ্রামীণ হাট বসেছে ক্লাব প্রাঙ্গণে।

পসরা সাজিয়ে বসেছেন অনেকে। রয়েছে হাতের কাজ। নানা শিল্পের সম্ভার। গ্রামের শিল্পীরা যোগ দিয়েছেন। ছৌ এর মুখোশ কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। সুফল বাংলার স্টলে রয়েছে নানা শাক সবজি। দামে ও সস্তা। চট শিল্পের হরেক রকম আইটেম শোভা পাচ্ছে স্টলে। বাঁশি পুতুল ও স্থান পেয়েছে। তাঁত শিল্পের ও নানারকম সামগ্রী। রয়েছে বিভিন্ন স্বাদের মধুও। ডোকরা শিল্পের সামগ্রী নজর বাড়বে। এক কথায়, বর্ষ শেষে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এখন গ্রামীণ হাট।

এছাড়া ও রয়েছে “সুরের ছন্দে মাটির গন্ধে ” – সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আজ সন্ধ্যায় ‘হাছন রাজার গান’ পরিবেশন করেন শিল্পীরা। অংশগ্রহণে লোক প্রসার প্রকল্পের শিল্পীরা (উওর চব্বিশ পরগণা) । এরপর ছৌ নৃত্য পরিবেশন করেন পুরুলিয়া জেলা থেকে আগত কলাকুশলীরা। আজ বিকেলে প্রদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধন করা হয়। এগারো (১১) টি জেলা থেকে একাধিক নামী দামী লোকশিল্পীদের এই উৎসবে তাদের গানের ডালি নিয়ে হাজির হতে প্রস্তুতি নিয়েছেন।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর ও সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক ছাড়াও কার্যকরী সমিতির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ছয় বছর আগে ঐ উৎসবের সূচনা হয়।

গত দুই বছর করোনার আবহে তা বন্ধ ছিল। ফের এবছর শুরু। প্রতিদিন দুপুর দুটো থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা প্রাঙ্গণ। কোনও টিকিট নেই। অবাধ প্রবেশ। জৈব ফসল, মশলা, প্রসাধনী মিলবে প্রেস ক্লাবের সামনে। টেরাকোটার কাজ ছাড়াও মিলবে নকশি কাঁথা, বাঁশ ও কাঠের কাজ। পট চিত্র। বাংলার পুতুল। গ্রামীণ গহনা ও পাটের জুতো চটি। জুট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার রয়েছে এক বিশেষ স্টল।

 

আরও পড়ুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *