মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী

মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী

রাজ্যের খবর

মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী -সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে জোর। যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মন্মথপুর প্রণব মন্দির প্রাঙ্গণে পালিত হল জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী। মন্দির কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং বহু সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী
মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী

সকালে ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাল্যদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা তাঁর শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান, দেশপ্রেম এবং জাতীয় সংহতি রক্ষায় ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তাঁকে যুগাবতার আচার্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের ভাবশিষ্য হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী
পালিত হল ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী

অনুষ্ঠানে মন্মথপুর প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের যৌথ পরিবেশনায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়। মন্দিরের পক্ষ থেকে ৩০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শিশুর হাতে স্কুল ইউনিফর্ম তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও ১২৫ জন মহিলাকে লাল পাড় শাড়ি প্রদান, স্বামী প্রণবানন্দ শান্তি কানন পার্কে ১২৫টি ফলের চারা রোপণ এবং ১২৫ জন যুবকের হাতে একটি করে ফলের চারা ও সাদা গেঞ্জি তুলে দেওয়া হয়।

১২৫টি ফলের চারা রোপণ এবং ১২৫ জন যুবকের হাতে একটি করে ফলের চারা ও সাদা গেঞ্জি তুলে দেওয়া হয়
১২৫টি ফলের চারা রোপণ এবং ১২৫ জন যুবকের হাতে একটি করে ফলের চারা ও সাদা গেঞ্জি তুলে দেওয়া হয়

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে ডা. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আদর্শ ও চিন্তাভাবনা প্রাসঙ্গিক। তরুণ সমাজের সামনে তাঁর সততা, ত্যাগ ও দেশসেবার আদর্শ তুলে ধরার পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক ও মানবিক জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আরও বিস্তৃতভাবে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির দাবিও উত্থাপিত হয়।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মন্মথপুর ও সংলগ্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকদের দাবি, ভবিষ্যতেও সমাজকল্যাণমূলক ও জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *