ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে

ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে

রাজ্যের খবর

ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে – গ্রন্থাগার বা পাঠাগার শুধু বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, আমাদের মনন, চিন্তন ও গবেষণার এক বিশাল ভাণ্ডার।

ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে
ডিজিটাল যুগেও পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে

তাই বর্তমান ডিজিটাল যুগেও পাঠাগারের গুরুত্ব ছাত্রছাত্রী ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কলকাতার শ্রী জৈন বিদ্যালয়ে গড়ে উঠল অত্যাধুনিক “মদন কুমার মেহতা মেমোরিয়াল লাইব্রেরি”।

কলকাতার শ্রী জৈন বিদ্যালয়ে গড়ে উঠল অত্যাধুনিক “মদন কুমার মেহতা মেমোরিয়াল লাইব্রেরি”
কলকাতার শ্রী জৈন বিদ্যালয়ে গড়ে উঠল অত্যাধুনিক “মদন কুমার মেহতা মেমোরিয়াল লাইব্রেরি”

এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং কলকাতা হাইকোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুধীর কুমার মেহতার উদ্যোগে স্কুলের এই গ্রন্থাগারের আধুনিকিকরন করে তা উৎসর্গ করা হয়েছে সুধীর বাবুর পিতা প্রয়াত মদন কুমার মেহতার স্মৃতিতে। মদনবাবু ছিলেন এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম।

পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে
পড়ুয়াদের গ্রন্থাগারমুখি করার উদ্যোগ কলকাতার স্কুলে

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায় রবিবার গ্রন্থাগারের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত মদন বাবুর স্ত্রী শান্তা কুমারী মেহেতা, বিশিষ্ট চিকিৎসক ড: অমিত কুমার রায়, বিদ্যালয়ের দুই সভাপতি বিনোদ কঙ্কারিয়া ও সর্দার মল কঙ্কারিয়া,অধ্যক্ষ সঞ্জয় কুমার পাণ্ডে, সম্পাদক মনোজ কুমার বোথরা প্রমুখ।

আশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “শিক্ষা ছাড়া সমাজের অগ্রগতি সম্ভব নয়। এই উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে।

সুধীর কুমার মেহেতা বলেন, আধুনিক সাজসজ্জায় তৈরি এই পাঠাগারে ডিজিটাল লার্নিং-এর সুবিধা যুক্ত হওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা অনলাইন রিসোর্স, ই-জার্নাল ও শিক্ষামূলক ডাটাবেস ব্যবহার করতে পারবে। এর ফলে তারা উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার রিসার্চ এবং নতুন চিন্তা-ভাবনা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

বিদ্যালয়ের এই নবনির্মিত গ্রন্থাগারের উদ্বোধন শুধু একটি পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্প নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল। এটি ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও গবেষণার নয়া পথ উন্মুক্ত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *