২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম

দেশ বিদেশ

২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম – চিকিৎসা বিজ্ঞানে এবছরের নোবেল পুরস্কার পেলেন ডক্টর ক্যাটালিন কারিকো এবং ডক্টর ড্রিউ ওয়েইসম্যান । করোনা টিকা সংক্রান্ত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য স্বীকৃতি ।

নোবেল কমিটি জানিয়েছে এই দুজনের যুগান্তকারী অনুসন্ধানের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে MRNA -এর সম্পর্ক নিয়ে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে গেছে । তাঁদের গবেষণার ওপর নির্ভর করে তৈরি ২টি MRNA টিকা অতিমারির সময়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে । আজ পদার্থবিজ্ঞানের জন্য ২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন ডক্টর ক্যাটালিন কারিকো ও ড: ড্রিউ ওয়েইসম্যান
চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার

পদার্থ বিদ্যায় এবছর নোবেল পাচ্ছেন পিয়ের অগাস্টিনি, ফেরেন্স ক্রাউজ এবং অ্যান লুইলিয়র । ইলেক্ট্রন ডাইনামিক্স এবং আলোক তরঙ্গ নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতিতে তারা সম্মানিক হচ্ছেন । রয়্যালস্ সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেসের তরফে বলা হয়েছে, পরমানু এবং অনুর মধ্যে ইলেক্ট্রনের গতিবিধি সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের আরও ভালোভাবে অবহিত হতে তাদের গবেষণা সহায়ক হবে।

২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম
২০২৩ সালের নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম

এবছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন তিন বিজ্ঞানী, মাওঙ্গি জি বাওয়েন্ডি, লুই ই ব্রুস, আলেক্সেই একিমভ। কোয়ান্টাম ডটসের আবিষ্কার এবং তার প্রয়োগের জন্য রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস এই তিন বিজ্ঞানীকে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মৌলিক গবেষণার গুরুত্ব এবং মানুষের জীবনের উন্নতিতে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সম্ভাবনার স্বীকৃতি এবারের এই পুরস্কার। রসায়নবিদদের ধারণা কোয়ান্টাম ডটস শিল্পক্ষেত্রে বিপ্লব এনে দেবে।

এবছর সাহিত্য নোবেল পেলেন নরওয়ের সাহিত্যিক এবং নাট্যকার জন ফস। ১৯৫৯ সালে নরওয়ের পশ্চিম উপকূলে জন্ম তাঁর। শিশু সাহিত্য থেকে শুরু করে কবিতা, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সাহিত্য়ের সমস্ত ক্ষেত্রেই স্বচ্ছন্দ্য বিচরণ রয়েছে তাঁর।

২০২৩-এ নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ইরানের নার্গেস মোহাম্মদি
২০২৩-এ নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ইরানের নার্গেস মোহাম্মদি

২০২৩-এ নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ইরানের নার্গেস মোহাম্মদি। ইরানে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রচারের জন্য তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। সম্প্রতি ইরানে নীতি পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সেদেশের মহিলারা । দাবানলের মতো ছড়ায় প্রতিবাদের আগুন । স্বাধীনতা, জীবন ও মহিলাদের অধিকার রক্ষার দাবিকে সামনে রেখে সারা দেশ যোগ দেয় এই আন্দোলনে । সমর্থন আসে সারা বিশ্ব থেকে । বহু আগে থেকেই নারী অধিকার অর্জনের আন্দোলনের পুরভাগে ছিলেন মোহাম্মদি । নোবেল শান্তি পুরস্কার তারই স্মীকৃতি।

আরও পড়ুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *