অভিনেতা সঞ্জীব কুমার

অভিনেতা সঞ্জীব কুমারের প্রয়াণবার্ষিকী

অন্যান্ন

অভিনেতা সঞ্জীব কুমারের প্রয়াণবার্ষিকী – গুজরাতের সুরাতে ১৯৩৮ সালে ৯ জুলাই জন্ম হয় হরিহর জেটালাল জরিওয়ালার। যাঁর ছদ্মনাম সঞ্জীব কুমার। মঞ্চে তাঁর নজরকাড়া অভিনয় থেকেই ১৯৬০-এ মুক্তি পাওয়া ‘হম হিন্দুস্থানি’ ছবিতে সুযোগ পান ।

তবে হিরো হিসেবে প্রথমবার তাঁকে রুপোলী পর্দায় দেখা যায় ১৯৬৫-র “নিশান” ছবিতে । হিন্দির পাশাপাশি মাতৃভাষা গুজরাটি-সহ মারাঠি, পাঞ্জাবি, তামিল, তেলেগু, সিন্ধী ভাষার চলচ্চিত্রেও জনপ্রিয়তা লাভ করেন সঞ্জীব কুমার।

নবাগত রাজিন্দর সিং বেদি-র পরিচালনায় “দস্তক” ছবির জন্য ১৯৭১ সালে প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান সঞ্জীব কুমার। দ্বিতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারটি আসে ১৯৭৩ সালে, “কোশীশ” ছবিতে মূক ও বধির হরিচরণের ভূমিকায় অভিনয় করে ।

সঞ্জীব কুমার বহুবার প্রৌঢ়ের অভিনয় করে অনায়াসে বাজিমাৎ করেছেন । ১৯৭৫ সালে ‘শোলে’ ছবিতে ‘ঠাকুর বলদেও সিংহ’-এর চরিত্রে সঞ্জীব কুমারের অভিনয় কে-ই বা ভুলতে পারে!

সমসাময়িক দুই অভিনেতা, অমিতাভ বচ্চন ও শশী কাপুরের বাবার চরিত্রে তাঁকে দেখা যায় ১৯৭৮ সালের “ত্রিশূল”-এ।

তবে কেবল সিরিয়াস ছবিতেই নয়, রোম্যান্স থেকে কমেডি, সব ধরনের ছবিতেই সঞ্জীব কুমারের অভিনয় অনবদ্য। এর মধ্যে অন্যতম –
১৯৭০-এ মুক্তি পাওয়া “খিলোনা”
১৯৭২ সালের “সীতা অউর গীতা”
১৯৭৩-র “অনামিকা”
১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘চরিত্রহীন’
১৯৭৫-এর ‘আঁধি’
১৯৭৮ সালে মুক্তি পাওয়া “পতি, পত্নী অউর ওহ” ১৯৮২ সালে মুক্তি পায় ‘আঙ্গুর’। ‘ফোর্বস’ পত্রিকার তালিকায় এই ছবিতে তাঁর দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় ভারতীয় চলচ্চিত্রের সেরা ২৫টি পারফর্ম্যান্সের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। ১৯৮৫ সালের ৬ নভেম্বর মাত্র ৪৭ বছর বয়সেই মৃত্যু হয় এই জনপ্রিয় বহুমুখী অভিনেতার।

আরও পড়ুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *