কলকাতায় ফেসলেস এসেসমেন্ট ও ফেসলেস এপিল ইউনিট নিয়ে আলোচনা

কলকাতায় ফেসলেস এসেসমেন্ট ও ফেসলেস এপিল ইউনিট নিয়ে আলোচনা

রাজ্যের খবর

কলকাতায় ফেসলেস এসেসমেন্ট ও ফেসলেস এপিল ইউনিট নিয়ে আলোচনা – ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট ও আপিলের মূল লক্ষ্যের ওপর পুনরায় গুরুত্ব আরোপ করার প্রচেষ্টায় ন্যাশনাল ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট সেন্টার এবং ন্যাশনাল ফেসলেস আপিল সেন্টার, নয়া দিল্লির প্রধান মুখ্য আয়কর কমিশনার জাহানজেব আখতার আজ শুক্রবার কলকাতার আয়কর ভবনে এক প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেন ।

তিনি ফেসলেস আয়কর প্রশাসনের এই উচ্চ-ডিজিটালাইজড কার্যপ্রণালীর আওতায় এ পর্যন্ত গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করেন। আয়কর দপ্তরের এই ফেসলেস ব্যবস্থা বিশ্বে প্রথম, যেখানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন গোপনীয় কেস বণ্টন ও সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করদাতা-দপ্তর যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

কলকাতার আয়কর ভবনে এক প্রচার কর্মসূচি
কলকাতার আয়কর ভবনে এক প্রচার কর্মসূচি

তিনি আয়কর দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এই প্রকল্প নিয়ে গর্বিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং এমন যে কোনো মানসিকতা যা করদাতাদের জীবন ও ব্যবসার সুবিধার পরিপন্থী, তা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ফেসলেস প্রকল্প ভারত সরকারের ই-গভর্ন্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা একজন সৎ ও ন্যায়পরায়ণ আয়কর প্রশাসকের অবশ্য কর্তব্য। তিনি কড়া ভাষায় সতর্ক করেন যে, ফেসলেস প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা বা নামহীনতা ক্ষুণ্ন করার যে কোনো প্রয়াস কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হবে।

এই অনুষ্ঠানে এনএফএসি ও এনএএফএসি কর্মকর্তারা তাদের মতামত ও পরামর্শ উপস্থাপন করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সারিতা কুমারী, আয়কর কমিশনার। অরবিন্দ সিংহ, অতিরিক্ত আয়কর কমিশনার।সঙ্গীতা যাদব, অতিরিক্ত আয়কর কমিশনার। তারা ফেসলেস ট্যাক্স পদ্ধতির কার্যকারিতা আরও উন্নত করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করেন।

বক্তব্য প্রদান করেন শ্রীকান্ত কুমার আমবাস্থা, কলকাতা অঞ্চলের ৩ ও ৬-এর মুখ্য আয়কর কমিশনার, যিনি অনুষ্ঠানের সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করেন।

নিবেদিতা বিশ্বাস, কলকাতা অঞ্চলের ৪ ও ৫-এর মুখ্য আয়কর কমিশনার, যিনি আলোচনায় তার মূল্যবান মতামত প্রদান করেন।

কলকাতার আয়কর ভবনে এক প্রচার কর্মসূচি
কলকাতার আয়কর ভবনে এক প্রচার কর্মসূচি

বাহ্যিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে বিশেষ অধিবেশন: এই অধিবেশনে ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিএ(চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস), অ্যাডভোকেট, চেম্বার অব কমার্স ও ট্রেড বডিস-এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা ফেসলেস ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোলামেলা মতামত প্রদান করেন এবং কার্যপ্রণালী উন্নতির জন্য গঠনমূলক পরামর্শ দেন। প্রধান মুখ্য আয়কর কমিশনার (এনএফএসি ও এনএএফএসি) দিল্লি ও তার দল তাদের পরামর্শ গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেন এবং তাদের যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সেই সম্পর্কে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করেন।

তবে তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করেন যে, ফেসলেস কার্যপ্রণালীর স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করার কোনো চেষ্টার সাথে জড়িত হওয়া উচিত নয়। বরং, এই নতুন কর-প্রশাসন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *